পঞ্চখণ্ড আই ডেস্ক : আইসিটি ব্যবহার বিষয়ক HIT/ AHIT প্রশিক্ষণে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জন করলেন বিয়ানীবাজার উপজেলার তিন প্রতিষ্ঠান প্রধান। শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেলেন গুণী প্রধান শিক্ষক ও কলামিস্ট মো: আতাউর রহমান।
আজ (১৩ মার্চ) সিলেট সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে আইসিটি বিষয়ক শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারি প্রতিষ্ঠান প্রধানগণের [ Head/ Assistant Head of Institutes’ Training (HIT/ AHIT ) ] শিক্ষায় আইসিটি ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৫ খ্রিস্টাব্দের ৮ মার্চ হতে ১৩ মার্চ পর্যন্ত ৬দিন ব্যাপি সিলেট সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে এ চুনারঘাট, বালাগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, বিয়ানীবাজার উপজেলার প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান গণের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।এ চার উপজেলার অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠত্বের দিক থেকে ১ম স্থান অর্জন করেন বিয়ানীবাজার উপজেলার শ্রেষ্ঠ ও গুণী প্রধান শিক্ষক মো: আতাউর রহমান, ২য় স্থান অর্জন করেন বাহাদুরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রত্নময় দাস ও ৩য় স্থান অর্জন করেন ঘুঙ্গাদিয়া বড়দেশ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আমিনুল ইসলাম ।
উল্লেখ্য, ১ম স্থান অর্জনকারী প্রধান শিক্ষক মো: আতাউর রহমান শিক্ষকতার পাশাপাশি একজন মাস্টার ট্রেইনার, কলামিস্ট ও পুস্তক প্রণেতা। ইতিপূর্বে তিনি ২০২৩ সনে বিয়ানীবাজার উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ২০২৪ সনে উপজেলার শ্রেষ্ঠ গুণী প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন।
জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্দেশ্য “আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার প্রচলন প্রকল্প (২য় পর্যায়, ১ম সংশোধিত)” প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। সেই লক্ষ্যে শিক্ষকতা পেশায় সফলতা আনয়নে শিক্ষাক্রম, শিক্ষন-শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল এবং শিক্ষার্থী মূল্যায়নের পর্যাপ্ত জ্ঞান ও দক্ষতার ক্ষেত্রসমূহে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষমতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
শ্রেণি কার্যক্রমে মালিমিডিয়া কন্টেন্ট ব্যবহার করে পাঠদানকারী শিক্ষকগণের আইসিটি স্বাক্ষরতা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের ৩১,৩৪০টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা) ৪৬,৩৪০ জন শ্রেণি শিক্ষককে মালিমিডিয়া কন্টেন্ট প্রণয়নের পাশাপাশি ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি’ বিষয়টি শ্রেণি পাঠদানে সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ১২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সেই নিরিখে প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালটি ৪৬টি অধিবেশনে সাজানো ও ৪৮টি অধিবেশনে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল সাজিদ বলেন, প্রশিক্ষণ থেকে পাওয়া নতুন দক্ষতা ও জ্ঞান কাজে লাগিয়ে শেখন কৌশল ও পদ্ধতিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করে প্রতিষ্ঠানকে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে নিয়ে যাবেন। প্রয়োগের সময় যেসব চ্যালেঞ্জ আসবে, তা বিশ্লেষণ করে সমাধানে সহকর্মীদের সাহায্য নিবেন।
ইতিপূর্বে অধিকাংশ শ্রেণি শিক্ষকগণদের ১২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইসিটি বিষয়ক শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারি প্রতিষ্ঠান প্রধানগণের [ Head/ Assistant Head of Institutes’ Training (HIT/ AHIT ) ] শিক্ষায় আইসিটি ব্যবহার বিষয়ক ০৬ দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীগণ মালিমিডিয়া কন্টেন্ট প্রণয়ন ও ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি’ বিষয়টি শ্রেণি পাঠদানে সক্ষমতা অর্জন করবেন।